আদমদীঘিতে জমির খাজনা জালিয়াতীর অভিযোগে জমির মালিক সহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রেফতার-1

আদমদীঘি(বগুড়া)প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আদমদীঘিতে জমির খাজনা জালিয়াতীর অভিযোগে জমির মালিক  গ্রেফতার ছবি:
আদমদীঘিতে জমির খাজনা জালিয়াতীর অভিযোগে জমির মালিক গ্রেফতার ছবি:


বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে সরকারী সার্থ জড়িত থাকা জমির খাজনা (দাখিলা) অবৈধ্য ভাবে জাল জালিয়াতি করার অভিযোগে জমির মালিক সহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় প্রত্যারনা মামলা দায়ের করেছেন সান্তাহার ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা (খ) ফরহাদ হোসেন। এঘটনায় পলিশ জমির মালিক মনসুর আলম বাবু কে গত বুধবার গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেন। মুনসুর আলম  সান্তাহার নতুন বাজারের নুরুল ইসলামের ছেলে। অপর আসামীরা হলেন, উপজেলার মালশন গ্রামের গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে সাদেকুল ইসলাম সাদ্দাম ও সান্তাহার রথবাড়ীর মকবুল হোসেনের ছেলে আজমল হোসেন।
মামলাসুত্রে  জানাযায়, আদমদীঘির সান্তাহার নতুন বাজারের মনসুর আলম বাবুর সম্পত্তি সান্তাহার ইউনিয়ন ভুমি অফিসের অধিনে বশিপুর মৌজার সাবেক ১৭৩০ হাল ৩৬১০ দাগের দেড় শতক জমির খাজনা (দাখিলা) অবৈধ্য ভাবে ক্র-ুচক্র মহল ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া জাল ভুমি উন্নয়ন কর (দাখিলা) বের করেন। ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য গত ২৫ সালের ২৮ মে মাসে খাজনা পরিশোধের জন্য আবেদন করলে উক্ত সম্পত্তিটি সরকারী সার্থ জড়িত থাকায় ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা সেই আবেদন টি বাতিল করেন এবং তখন থেকে উক্ত হোল্ডিংয়ের খাজনা পরিশোধ বন্ধ থাকে।
এদিকে উক্ত সম্পত্তির খাজনা পরিশোধের জন্য পুনরায় গত ১৫ জুন রাত ২ ঘটিকার সময় অনলাইনে আবেদন হয় এবং এর আগের দিন ১৪ জুনে গভীর রাতে খাজনা পরিশোধ করে দাখিলা বের করে সেই দাখিলায় ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থ বছরের খাজনা পরিশোধ দেখানো হয়।  খাজনার রশিদে চলতি অর্থবছর না থাকায় তা সংশোধনের জন্য  গত ১৫ জুন সকাল দশ ঘটিকার সময় আজমল হোসেন মল  ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার নিকট গেলে উক্ত ভুমি উন্নয়ন করের রশিদ দেখে সন্দেহ হলে যাচাই বাচাই করে দেখেন এই ভুমি উন্নয়ন কর (দাখিলা) অবৈধ্যভাবে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে।  
এঘটনায় সান্তাহার (খ) ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা এসএম ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে জমির মালিক সহ উল্লেখিত তিন জনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানায়, একটি জালিয়াতি চক্র দীর্ঘদিন যাবত অনলাইনের মাধ্যমে খাজনা জালিয়াতির মাধ্যমে সরবরাহ করে জমির মালিকদের নিকট প্রচুর পরিমাণ অর্থ আদায় করছে তবে তারাই ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ও জমির মালিকদের দাবী এই চক্রের সাথে সান্তাহার এলাকার কিছু ব্যাক্তি জড়িত তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার জোড় দাবী জানায়।
আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন এঘটনায় জমির মালিককে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
 

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত